আমরা মাসের পর মাস 7bajee ব্যবহার করে এই রিভিউটি লিখেছি। স্পোর্টস বেটিং, পেমেন্ট, বোনাস, সাপোর্ট – সব কিছু নিয়ে একদম খোলামেলা কথা।
৩,৮০০+ ব্যবহারকারীর মতামতের ভিত্তিতে
| প্রতিষ্ঠাকাল | ২০১৯ |
| লাইসেন্স | কুরাকাও |
| মুদ্রা | BDT (টাকা) |
| ন্যূনতম ডিপোজিট | ৳২০০ |
| ন্যূনতম উইথড্রয়াল | ৳৩০০ |
| পেমেন্ট পদ্ধতি | বিকাশ, নগদ, রকেট |
| উইথড্রয়াল সময় | ৫–১৫ মিনিট |
| ভাষা সাপোর্ট | বাংলা, ইংরেজি |
| সাপোর্ট | ২৪/৭ লাইভ চ্যাট |
সত্যি কথা বলতে, বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং সাইটের অভাব নেই। কিন্তু তাদের মধ্যে যেগুলো সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে কাজ করে, সেগুলোর সংখ্যা খুবই কম। 7bajee সেই বিরল ব্যতিক্রমগুলোর একটি।
আমরা প্রায় ছয় মাস ধরে 7bajee ব্যবহার করেছি। ডিপোজিট থেকে শুরু করে উইথড্রয়াল, বেটিং থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্ট – সব কিছু নিজেরা পরীক্ষা করেছি। এই রিভিউতে আমাদের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি, কোনো লুকোছাপা ছাড়াই।
প্রথম দিন যখন 7bajee-তে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলাম, তখন সবচেয়ে যেটা ভালো লেগেছিল সেটা হলো পুরো রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেল, বিকাশ দিয়ে ডিপোজিট হলো আরও এক মিনিটে। অনেক সাইটে যেমন জটিল ফর্ম পূরণ করতে হয় বা কাগজপত্র আপলোড করতে হয়, 7bajee-তে সেসব ঝামেলা নেই।
ক্রিকেট সিজনে 7bajee-র স্পোর্টস বেটিং সেকশন একদম জমজমাট থাকে। BPL চলাকালীন প্রতিটি ম্যাচে ৫০টিরও বেশি বেটিং মার্কেট পাওয়া যায় – শুধু ম্যাচ উইনার নয়, টপ ব্যাটসম্যান, সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি, নির্দিষ্ট ওভারে রান সংখ্যা – কত ধরনের অপশন! লাইভ বেটিংয়ে অডস আপডেটের গতি নিয়েও কোনো অভিযোগ নেই, প্রায় রিয়েল-টাইমেই বদলায়।
ফুটবলে প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, বুন্দেসলিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগ – সব বড় লিগের ম্যাচ পাওয়া যায়। আমি নিজে ম্যানচেস্টার সিটি বনাম আর্সেনালের একটা ম্যাচে লাইভ বেটিং করেছিলাম। দ্বিতীয়ার্ধে সমতার বাজি ধরেছিলাম, এবং সেটা কাজে এসেছিল। অডস ছিল ৩.৪০, যেটা অন্য সাইটের তুলনায় বেশ ভালো।
7bajee-র পেমেন্ট সিস্টেম নিয়ে একটু বিশেষভাবে বলতে হয়। বাংলাদেশে বিকাশ ও নগদ যেভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে গেছে, সেটা মাথায় রেখেই 7bajee-র পেমেন্ট অবকাঠামো তৈরি। ডিপোজিট করার পর সাথে সাথে ব্যালেন্সে দেখা যায়, কোনো অপেক্ষা করতে হয় না।
উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রে আমাদের অভিজ্ঞতা ছিল গড়ে ৭–১২ মিনিটের মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়। একবার রাত ১১টায় উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট দিয়েছিলাম, সেটাও ১৫ মিনিটের মধ্যে হয়ে গিয়েছিল। রাতের বেলাতেও প্রসেসিং বন্ধ থাকে না, এটা অনেক বড় সুবিধা।
প্রতিটি বিভাগে আমাদের বিস্তারিত মূল্যায়ন দেখুন।
7bajee-তে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিগুলো সমর্থিত।
সারা বাংলাদেশ থেকে 7bajee ব্যবহারকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
7bajee-তে BPL সিজনে বেটিং করেছি পুরোটা। প্রতিটি ম্যাচে লাইভ অডস ছিল একদম ঠিকঠাক। বিকাশে টাকা তুলতে কখনো ১০ মিনিটের বেশি লাগেনি। এত স্মুথ অভিজ্ঞতা আগে পাইনি।
মোবাইল থেকে ব্যবহার করি। ইন্টারফেস এত সহজ যে প্রথমবারেই বুঝে গেছি কোথায় কী। ক্রিকেটে অ্যাকুমুলেটর করি নিয়মিত। নগদে পেমেন্ট পাই মুহূর্তের মধ্যে।
সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে, এটা সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট। একবার পেমেন্টে সমস্যা হয়েছিল, লাইভ চ্যাটে জানাতেই ৫ মিনিটের মধ্যে সমাধান হয়ে গেছে। 7bajee-র উপর আস্থা আছে।
প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচগুলোতে 7bajee-র অডস অন্য সাইটের চেয়ে বেশি পাই। লাইভ বেটিংয়ে ক্যাশ-আউট ফিচারটা দারুণ কাজের। একটা ম্যাচে আধা পথে বের হয়ে এসে অনেক ক্ষতি বাঁচিয়েছিলাম।
ই-স্পোর্টসে বাজি ধরি নিয়মিত। CS2 আর Dota 2-এর টুর্নামেন্টে বেশ ভালো মার্কেট পাই 7bajee-তে। রেজিস্ট্রেশন বোনাস পেয়েছিলাম, সেটা দিয়ে শুরু করেছিলাম – ভালোই লাভ হয়েছে।
নতুন হিসেবে শুরু করেছিলাম, একটু ভয় ছিল। কিন্তু 7bajee-র গাইড আর সাপোর্টের সাহায্যে সহজেই বুঝে গেছি কীভাবে বেটিং করতে হয়। প্ল্যাটফর্মটা নিরাপদ মনে হয়, কোনো প্রতারণার সম্মুখীন হইনি।
দীর্ঘদিন ব্যবহার করার পর 7bajee সম্পর্কে আমাদের মতামত পরিষ্কার – এটি বাংলাদেশের জন্য সত্যিকার অর্থেই তৈরি একটি প্ল্যাটফর্ম। বিকাশ-নগদের সমন্বয়, বাংলা সাপোর্ট, দ্রুত পেমেন্ট এবং প্রতিযোগিতামূলক অডস মিলিয়ে 7bajee যে প্যাকেজ অফার করে, তা অন্য কোনো প্ল্যাটফর্ম এখনো দিতে পারেনি।
ছোটখাটো কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, যেমন ডেডিকেটেড অ্যাপ এখনো আসেনি এবং কিছু ছোট টুর্নামেন্টে মার্কেটের সংখ্যা কম। কিন্তু মূল সেবার মানের বিচারে এগুলো খুব বড় সমস্যা নয়।
7bajee-তে নিবন্ধন করুন7bajee রিভিউ সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্নের উত্তর।